তুরাগ প্রতিনিধি :
রাজধানীর তুরাগ এলাকায় নলভোগের বাসিন্দা কামালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালপাড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাজউকের জায়গা দখল করে তিনি একাধিক দোকান ও কাঁচা বাজার বসিয়ে নিয়মিত লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, নিজের চাঁদাবাজিকে বৈধতা দিতে কামাল সরকারি দলের প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন। এসব ব্যক্তিকে ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন এবং কেউ প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। তার বিরুদ্ধে রাস্তায় বালুর ডিপি করে মানুষের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে মর্মে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। এই জের ধরে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক পত্রিকা বিলি করতে খালপাড় তুরাগ এলাকায় গেলে তাকে অবৈধ সরকারি জায়গা দখলবাজ কামাল বিভিন্ন হুমকি দেয়। এবং মানহানিকর কথাবার্তা বলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক ও সংবাদ পত্রকে তুচ্ছিল্য করে কথা বলে কামাল।তার কথা বার্তায় বুঝা গেল খালপাড় এলাকা তার বাবার পৈতিক সম্পত্তি। এগুলো নিয়ে কেউ লেখালেখি করলে, তার পিছনে টাকা খরচ করে তাকে হত্যা ও করতে পারে বলে সে জানায়। মনে হলো এটা মগের মুল্লুক। দেখার কেউ নেই। কামাল তার স্হানীয় প্রভাব খাটিয়ে মানুষকে জিম্মি করে ভয় ভীতি দেখিয়ে নিজেকে উত্তরার ডন মনে করিয়ে দিচ্ছে । দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ পত্রিকার পক্ষ থেকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দ্রুত চাঁদা বাজ ও দখলবাজ কামালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।না হলে এদের দ্বারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো অবনতি হবে বলে বিশ্লেষকদের মত। কামাল দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক কে বলেন,আমার বিরুদ্ধে লিখে কোন লাভ হবে না। বরং এমন সময় এমন ক্ষতি করবো টেরও পাবেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা এসব দোকান থেকে প্রতিদিন মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, “কামালের লোকজন নিয়মিত চাঁদা নিচ্ছে। না দিলে দোকান বসাতে দেয় না, আবার বসানো দোকানও উচ্ছেদের হুমকি দেয়।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সে সাংবাদিকদের হুমকি দেয়।
স্থানীয়দের আশা, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সরকারি জমি দখলমুক্ত হবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে।
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়