বিশেষ প্রতিনিধি :
পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন'র কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। শুভেচ্ছা বার্তায় কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোক্তার আহমেদ বলেন, "ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা নিয়ে হাজির হয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানির পাশাপাশি আমাদের মনের সংকীর্ণতা, অহংকার, হিংসা ও বিদ্বেষ কোরবানি দিতে হবে। ত্যাগের এই মহান উৎসব আমাদের জীবনকে সুন্দর ও সার্থক করে তোলে।"
ত্যাগ, মানবতা ও সম্প্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। পবিত্র ঈদুল আযহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি, মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য শিক্ষায় সমৃদ্ধ এই পবিত্র উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিরাজ করে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। সেই আনন্দঘন মুহূর্তের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন'র কেন্দ্রীয় কমিটির বিপ্লবী মহাসচিব মো:মোক্তার আহমেদ ।
তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি মহান ত্যাগের শিক্ষা বহনকারী একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগের মহান আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর এই উৎসব পালন করে থাকে। ঈদুল আযহা আমাদের আত্মত্যাগ, ধৈর্য, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে শিক্ষা দেয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চর্চা অত্যন্ত প্রয়োজন। ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়। তাই সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষদের উচিত দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করা।
মোক্তার আহমেদ বলেন, “ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় থাকুক এবং সবাই যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের এই পবিত্র দিনে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আরও বলেন, “ঈদ মানেই শুধু নিজের আনন্দ নয়, বরং অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পবিত্র ঈদুল আযহা মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করে। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই শিক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারলে সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। এসময় তিনি দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল আযহার শিক্ষা মানুষের মাঝে মানবতা, সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করবে।
শেষে বিরামপুর উপজেলার সকল ধর্মের মানুষের প্রতি পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে মোক্তার আহমেদ বলেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ। সকলের জীবন হোক নিরাপদ, সুন্দর ও আনন্দময়—এই কামনাই করি।”
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়