নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা আজমপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে" বিডিআর কাঁচা বাজার" দীর্ঘদিন ধরে চলা সমবায় সমিতির নিয়মনীতিরই চলছে। ব্যবসায়ী রয়েছে প্রায় ৩ শ। বিভিন্ন ধরনের দোকান রয়েছে। ৫ আগষ্টের পর থেকে বিডিআর কাঁচা বাজারটি দখল চাঁদাবাজি করতে একাধিক হামলা ভাংচুর লুটপাট করা হয়। উত্তরা পুর্ব থানা, সেনা বাহিনী (যৌথ বাহিনী) সহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ জানেন। কাঁচা বাজারের সাধারণ গরীব দরিদ্র ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি রাজত্ব করতে নজর দেয়" ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ও ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ আব্দুস সালাম সরকার। তাঁর কথিত দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী বাহিনী মাঝে মধ্যে বাজারে গিয়ে সশস্ত্র স্টাইলে মহড়া দেয় ও হুমকি ধামকি মারধর করে তান্ডব চালায়। আওয়ামী দোসর ট্রেক দিয়ে অনেক ব্যবসায়ীদের বিতাড়িত করেছে, মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।।বিএনপির নেতার টার্গেট বিডিআর কাঁচা বাজারটি যে-কোন মুল্য দখল করতে হবে ও তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে একটি কমিটি করার। কিন্তু সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই চলছে তাঁর নেতৃত্বে বার-বার তান্ডব। চালাবন, জয়নাল মার্কেট, মাজার, কসাই বাড়ী, মুন্সি মার্কেট, দেওয়ান সিটি এলাকার কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসীদের দিয়ে বাজারে মহড়া দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ী কমিটির নেতা খালেদ। উত্তরার মানুষের মুখে মুখে রটেছে এই বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে বিডিআর কাঁচা বাজারটি সুন্দর শৃঙ্খলা পরিবেশে চললেও ৫ আগষ্টের পর থেকে নজর দেয় এই বিএনপির নেতা, তাঁর নেই বাজারে ব্যবসা, কোনোদিন করেনি ব্যবসা, দোকানদারি তার পরেও জোরজবরদস্তি চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বিডিআর কাঁচা বাজারটি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। উপরা পুর্ব থানা বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী তাঁর সাথে না থাকলেও নব্য হাইব্রিড বিএনপি নিয়ে কথিত বাহিনী গড়েছে, আওয়ামী নেতাকর্মী রয়েছে কিছু এই বাহিনী সাথে। বিএনপির নেতা আব্দুস সালাম সরকারের সাথে মন্তব্য জানতে তাঁর অফিসে গিয়ে পাওয়া যায়নি।
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়