কে এই ভদ্রমহিলা মনে হয় যেন পৃথিবীর কোন কিছুই সে বোঝেনা কিন্তু তার এই ভদ্র তার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চাঞ্চল্যক তথ্য দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসতেছে টঙ্গীর শীল মুন এলাকায় লোক চক্ষুর আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত চালিয়ে আসতেছে মরণফাঁধ মাদক ব্যবসা এটা করেও সে ক্ষ্যান্ত হয়নি যুবতী মেয়েদেরকে দিয়ে করে আসছে প্রতারণার আরেক ব্যবসা কিছুদিন ধরে এক চঞ্চল লোক ঘটনা শুনতে পেরে তাদের ওই এলাকাতে যাওয়া হলো এবং তাদের এলাকায় তাদের আগে তাদের অনুপস্থিতে এলাকাবাসীর কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ করিএবং তাদের বিষয় নিয়ে কথা বলার পরে বুঝতে পারলাম যতই ভালো দেখায় কিছু এলাকার লোকজন তাদেরকে কোন মানুষ বলেই গণ্য করেনা এই মহিলা আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে তার স্বামী বেঁচেছিল এই মহিলা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পুরুষদের সাথে তার চলাফেরা ছিল স্বামীর সাথে নাকি তার কোন ভালো সম্পর্ক ছিল না মহিলা যখন পুরুষদের সাথে মেলামেশা করে এবং সংসারের প্রতি নাকি কোন তোয়াক্কাই কখনো করতো না এই নারী প্রায় সময় নাকি গভীর রাতে বাড়ি ফিরতো এই ঘটনা দেখে তার স্বামী প্রতিবাদ করাতে স্বামীর সাথে তার বিচ্ছেদ শুরু হয় তার পরে এই মহিলা আলাদা থাকে হঠাৎ করে মহিলার নাকি পেট অনেক বড় দেখা যায় এলাকাবাসী জিজ্ঞেস করার পরে এই নারী বিভিন্নভাবে তাদেরকে বুঝাইলো তার পেটে নাকি টিউমার হয়েছে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী তাকে নাকি অনেক সাহায্য এবং সহযোগিতা করে ৩০০০০ টাকার মত উঠিয়ে দিয়েছে এই নারী হাসপাতালে যেয়ে চিকিৎসা করবে কিন্তু ঘটনা ঘটে গেল তার উল্টোটা এই মহিলা নাকি মানুষকে মিথ্যা কথা বলেছে তার পেটের ভিতরে কোন টিউমার হয় নাই সে গর্ভবতী এখন হাসপাতালে ডেলিভারি করার পরে তার একটা অবৈধ ছেলে সন্তান হয় এই ঘটনা ইরানের জন্য ছেলেটাকে বিক্রি করে ফেলে তারপরে তার মেয়ে নাকি হাসপাতালের লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করার পরে তারা বলছে একজন মহিলার কাছে তাকে বিক্রি করে দিয়েছে তখন তার এই বড় মেয়ে ওই মহিলার কাছ থেকে বাচ্চাটাকে হুমকি ধমকি এবং বিভিন্ন ভয় ভিত্তি দেখিয়ে নিয়ে আসে হাসপাতালে লোকজন বলেছে এইখানে মহিলার কোন দোষ নাই আপনার আম্মাই এই বাবুটাকে বিশ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে এখন তার এই মেয়ে তার এই মাকে জিজ্ঞেস করার পরে তার মা বলল আমি কি করে এই বাচ্চাটাকে নিয়ে এলাকাতে মানুষের সামনে মুখ দেখাবো তার মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল কারণ তখন এই মহিলা বলেছে এটা নাকি তার বাবার জন্মের না তখনি তার মেয়ে বলছে তার মাকে বলেছে এটা যদি আমার বাবা পরিচয় না দেয় দরকার হলে বাবাকে মেরে ফেলবো যেই কথা সেই কাজ এলাকায় যাওয়ার পরে তার বাবা তার এক আত্মীয়র কাছে বলেছে আমি পাঁচ বছর ধরে এক বিছানায় ঘুমাই নাই তাহলে এই বাচ্চা কোথা থেকে আসলো ঘটনা ক্রমে এলাকার মধ্যে শুরু হয়ে গেল নানান ধরনের বিশৃঙ্খলা তারপরে এই মহিলাকে জিজ্ঞেস করার পরে সে কোন উত্তর দিতে পারে নাই তখনই এলাকাবাসী বলছেন এই ধরনের অনৈতিক কাজের জন্য তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে তখন তারা সিদ্ধান্ত নিল এই ঘরের সামনে রাস্তার মরে গলা পর্যন্ত তাকে মাটিতে পুতা হবে তারপরে লোকজন আসতে একটা লাথি দিবে যাইতে একটা লাথি দিবে তখন নাকি এই মহিলা এই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে থাকার পরে অনেকদিন এলাকায় ঢুকেনি তারপরে এই মহিলা এলাকায় চুরি করে ঢুকেছে তখন এই মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে নাকি তার স্বামীকে অত্যাচার করতে লাগলো একপর্যায়ে এই মহিলা এবং তার মেয়ে দুজনে মিলে তার বাবাকে পুরুষাঙ্গে টিপ দিয়ে মেরে ফেলেছে তখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল মেয়ে বলতেছে বাবার নাকি শ্বাসকষ্ট উঠেছে একপর্যায়ে তার বাবা মারা গেল তার পরে নাকি এই মহিলা এলাকায় ঢুকেছে স্বামী মারা গেছে এলাকাবাসী সেদিকে তাকিয়ে তাকে কিছু বলেনি তখন মহিলার চলাফের আয় এলাকাবাসী তাদেরকে একটা আবর্জনা মনে করে রেখেছে কিন্তু তারপরেও তাদের মা মেয়ের এই অনৈতিক কার্যকলাপ থামে নাই এই মেয়েটা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছেলেদের কে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত হয়েছে তখন এলাকার মধ্যে মানুষের গুঞ্জন উঠেছে তার পরে আমরা জিজ্ঞেস করি এই মেয়ের চলাফেরা এমন কেন তখন তারা উত্তর দিল তার মেয়ে নাকি একজন গণমাধ্যম কর্মী গণমাধ্যম কর্মী হয়ে এই ধরনের অনৈতিক কাজ কিভাবে করে তারপর থেকে এই মেয়েটাও নাকি তার মায়ের মত শুরু করে দিয়েছে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিদিন রাতের বেলা বারোটা একটা দুইটা বাজে আসতো একজন সাংবাদিক সে মহিলা এত রাত্রে তার বাহিরে কি কাজ যখন রাস্তায় আসতে দেখে তাদেরকে এলাকায় এইভাবে ঘোরাফেরা করার জন্য নিষেধ করা হলো নাছো বান্দা কে শুনে কার কথা থামেনি তাদের মা মেয়ের এই অনৈতিক কার্যকলাপ মেয়েদেরকে লেলিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন অসহায় ছেলেদেরকে তাদের এই প্রতারণার ফাঁদে ফেলানের জন্য আর এই মহিলা ও তার ভাই মিলে লোক চক্ষুর আড়ালে করতেছে মাদক বেচাকেনা এখন প্রশ্ন হল এলাকাবাসীর বক্তব্যতে যা শুনলাম মনে হচ্ছে তারা এলাকার মধ্যে এবং সমাজের মধ্যে আসলেই আবর্জনা এলাকাবাসী তাদেরকে এবং তাদের নাম শুনলে যে ধরনের আপত্তিকর কথা বলে এতে করে তাদের হাত থেকে মানুষের নিরাপত্তা নেই বিগত দিন ধরে এই মহিলার মেয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অমানুষিক কার্যকলাপ করে আসতেছে তার এই প্রতারণার ফাঁদে আমাদের এক সহকর্মী ছোট ভাই কে ফেলে দিয়েছে এবং তার একটা সংসার ধ্বংস করে ফেলেছে ঘটনা খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে এক জায়গাতেই থামেনি কিন্তু এই মেয়ে নেশায় আসক্ত হয়ে বিভিন্ন ছেলেদেরকে ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিত টাকা আজথেকেই দুই আড়াই বছর দরে নাই আমাদের সহকর্মী ছোট ভাইয়ের সাথে সংসার করতেছে কিন্তু তার এই অমানুষিক নির্যাতনের কারণে এলাকাবাসীর কথাবার্তি শোনার পরে তাকে শাসন করা হয়েছে কিন্তু এই মেয়ে সবকিছু অস্বীকার করার কারণে তখন তাকে কিছু বলেনি হঠাৎ করে এই মেয়ে মোবাইলের মধ্যে বিভিন্ন ছেলেদের সাথে করে আসতেছে পরকীয়া একদিন তাকে হাতেনাতে ধরার পরে তখন সে আর মিথ্যা বলতে পারতেছে না এক পর্যায় তাকে বুঝাইলো বোঝানোর পরেই তাকে ঘরে রেখে ছোট ভাই বাজারে গিয়েছিল বাজার থেকে এসে দেখে এই মেয়ে তার ঘর থেকে চলে গিয়েছে খবর নিয়ে দেখা গেল যে এই মেয়ে নাকি এলাকা থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা পয়সা নিয়েছে কিন্তু বলেছে এটা যাতে আমার বাবুর বাবা না জানে এখন এই মেয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তার ঘরে থেকে নগদ ক্যাশ ২৫ হাজার টাকা এবং ঘরের বিভিন্ন মালপত্র নিয়ে চলে যায় তার মায়ের কাছে তারপর থেকে মানসিক যন্ত্রণায় আমাদের সেই সহকর্মী ছোট ভাই অসুস্থ হয়ে বিছনায় পড়ে থাকে কিন্তু তাকে অনেকবার বলার পরেওসে আসেনি তারপরে ওই ছোট ভাই দুইটা মামলা করে থাকে একটা তার নিকটবর্তী টঙ্গি পূর্ব থানার অধীনে আরেকটি করেছে বিজ্ঞ আদালতে এখন এভাবে তাকে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু সে কারো কোন কথাই শুনতেছে না তার মাদক ব্যবসায়ী মা এবং তার বোন তার সাত মাসের বাচ্চাটাকে নিয়ে জিম্মি করে রেখেছে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তাকে মোবাইলে ফোন দিয়ে হুমকি দিতেছে মেরে ফেলবে শেষ করে দিবে সমাজের মধ্যে তাদের কে এই দরনের কার্যকলাপ করার জন্য কে দিতেছে সাহসএবংএদের খুটির জোর কোথায় আমরা বিনয়ভাবে প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাইতেছি এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করিতেছি যাতে করে এই সমাজে থেকে তারা যাতে আর কোনদিন কোন ছেলেদেরকে তাদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে না পারে সমাজের এই আবর্জনা দের কে সমাজবাসী আপনারা বিতাড়িত করুন আপনাদের সমাজকে ভালো রাখুন
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়