( নিজের মেয়েকে হত্যা লাশ গুম,,)
নিজের জন্ম দিয়ে হত্যাকরে লাশটি গোম করে,
সাত বছর ধরে মেয়েকে খুঁজে বেড়ানো বাবা-ই শেষ পর্যন্ত
খু/নি! টাঙ্গাইলের কালিহাতির পারুল আক্তারের জীবনের এই চরম ট্রাজেডি কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। যে বাবা মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার বিচার চেয়ে থানা-পুলিশ আর আদালতের বারান্দায় সাতটি বছর কাটিয়ে দিলেন, তদন্তের গভীরে গিয়ে দেখা গেল সেই বাবাই নিজের হাতে মেয়ের জীবন কে/ড়ে নিয়েছেন।
তথাকথিত সামাজিক সম্মান রক্ষার নামে নিজের কলিজার টুকরাকে শ্বা/স/রো/ধ করে হ/ত্যা করা—এ কেমন পিতৃত্ব? পারুল হয়তো ভেবেছিলেন সব মান-অভিমান ভুলে বাবার কোলে ফিরে যাবেন, কিন্তু সেই ফেরার আমন্ত্রণ যে ছিল তার মৃ/ত্যু/র পরোয়ানা, তা তিনি কল্পনাও করেননি। আভিজাত্যের মি/থ্যে অ/হং/কা/র যখন র/ক্তের সম্পর্কের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন সমাজটা এভাবেই বি/ষা/ক্ত হয়ে ওঠে।
নিজের সন্তানকে হ/ত্যা/র পর সাত বছর ধরে শোকের নাটক করা এই পা/ষা/ণ বাবার ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সম্পর্কের কত বড় অবক্ষয় আমাদের চারপাশে লুকিয়ে আছে। এই নি/র্ম/ম অনার কি/লিং/য়ে/র বিচার হোক, আর কোনো পারুলকে যেন বাবার হাতে প্রাণ দিতে না হয়।