গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নে গভীর রাতে এক নারীর ঘরে পরপুরুষ প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই গুরুতর ঘটনাটি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও একটি প্রভাবশালী মহল ইউনিয়ন পরিষদে শালিসের নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার আনুমানিক রাত ১২টার দিকে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকার হারুন মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী মোছা. লাকি বেগমের বাড়িতে নহিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর একাংশ ওই বাড়ি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে আটক করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ও স্থানীয়দের ক্ষোভ:
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার)এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে বাধা দিচ্ছেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুলিশকে খবর না দিয়ে, স্থানীয় মেম্বার উল্টো ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) জমা নিয়েছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদে শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার
চেষ্টা চালাচ্ছেন।
প্রভাবশালীদের এমন ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন:
ধর্ষণ বা নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের বিচার কি ইউপি সদস্য করতে পারেন? স্থানীয়ভাবে আইডি কার্ড নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। দেশে কি আইন-কানুন নাই
এলাকাবাসী দাবি জেলা প্রশাসক এর কাছে সঠিক তদন্ত মাধ্যমে বিচার চাই