বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনিয়মে খুলনায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা টঙ্গীতে স্টেশন রোড সড়ক দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান । যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া থেকে প্রাইভেটকার জব্দ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনায় নারীসহ গ্রেফতার-২ ‎বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক উত্তরায় লিবার্টি ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান – বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মদ- বিয়ারসহ গ্রেফতার-২ গাজীপুরের টঙ্গীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা গ্রেপ্তার ৫ কাশিয়ানীতে ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ বেনাপোল সীমান্তে ৪৯ বিজিবির অভিযান, মদ-সিরাপসহ বিপুল পণ্য আটক ‎যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য আটক ‎ ইয়াবায় ভাসছে তুরাগের ৩৩টি গ্রাম, ১০১ স্পটে শতাধিক ডিলার সক্রিয়

চেকের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত ইমরান; ন্যায়বিচারের দাবি ভুক্তভোগী রহমানের

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন

ঢাকার মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভাঙারি ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন ভুক্তভোগী রহমান। তার অভিযোগ, একটি প্রতিষ্ঠানের মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে এক দালালের মাধ্যমে ইমরান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়িক চুক্তির অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ইমরান তার কাছে অগ্রিম ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে ৫০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি, একটি স্বাক্ষরিত চেক এবং তিনজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তিনি ওই টাকা ইমরানকে প্রদান করেন। চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, এক মাসের মধ্যে মালামাল সরবরাহ করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ে তা দিতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর দাবি, নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কোনো মালামাল পাননি এবং টাকাও ফেরত পাননি। এ সময় উপস্থিত সাক্ষী হিসেবে সুজন, শাহীন ও সিকদারের নাম উল্লেখ করেন তিনি।
রহমান আরও অভিযোগ করেন, টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ইমরান উল্টো তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেন। পরে তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।
সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে রহমান বলেন, তিনি ধার ও সুদের টাকায় ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা তার জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার কাছে অভিযুক্তের স্বাক্ষরযুক্ত ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প এবং একটি স্বাক্ষরিত চেক রয়েছে, যা তিনি প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করেছেন।
ভুক্তভোগী রহমান জানান, তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং প্রয়োজনে আদালতে মামলা করবেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করবেন।
তিনি বলেন, আমি চাই আইনের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তি যেন যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি হন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হন।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ইমরানের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com