বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনিয়মে খুলনায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা টঙ্গীতে স্টেশন রোড সড়ক দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান । যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া থেকে প্রাইভেটকার জব্দ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণের ঘটনায় নারীসহ গ্রেফতার-২ ‎বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক উত্তরায় লিবার্টি ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান – বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মদ- বিয়ারসহ গ্রেফতার-২ গাজীপুরের টঙ্গীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা গ্রেপ্তার ৫ কাশিয়ানীতে ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ বেনাপোল সীমান্তে ৪৯ বিজিবির অভিযান, মদ-সিরাপসহ বিপুল পণ্য আটক ‎যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য আটক ‎ ইয়াবায় ভাসছে তুরাগের ৩৩টি গ্রাম, ১০১ স্পটে শতাধিক ডিলার সক্রিয়

রাজধানীতে বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা, নেপথ্যে কারা!

Reporter Name / ২২ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

স্পেশাল রিপোর্ট : ১০ মে, ২০২৬
★★ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে খুন-জখম-গুলির ঘটনা বাড়ছে
★★ঢাকার অপরাধজগৎ এবং পেশাদার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে
★★ ভাড়াটে শুটার হিসেবে বেকার তরুণদের ব্যবহার করা হচ্ছে
★★ গত ২১ মাসে রাজধানীতে অন্তত ২৩টিও বেশি ঘ

মনির হোসেন জীবন / শহিদুল ইসলাম সাগর : কয়েক কোটি মানুষের বসবাস রাজধানী ঢাকা। কর্মব্যস্ত নগরীর অপরাধ জগৎ এবং পেশাদার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য দিনদিন বেড়েই চলেছে। অপরাধ জগতে ভাড়াটে শুটার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বেকার তরুণদের।
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার কারণে ইদানিংকালে নগরজুড়ে খুন-জখম-গুলির ঘটনা বাড়ছে। বিগত ২১ মাসে রাজধানীতে এমন অন্তত ছোট বড় ২৩টিও বেশি ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে- রাজধানীতে ফের নতুন করে বেপরোয়া আন্ডারওয়ার্ল্ডের অপরাধ জগতের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা, নেপথ্যে কারা! খবর সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশ্বস্ত তথ্য সূত্রের।

তথ্য অনুসন্ধান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালত চত্বরে তৎকালীন
অপরাধ জগতের অন্যতম আলোচিত সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবীর ওরফে মুরগি মিলনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সন্ত্রাসীরা। চলতি বছরের গত ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ রাজধানীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনকে সড়কে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঠিক একই ধরনের খুনের ঘটনা ঘটায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে চরম দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য, রেষারেষি, পাল্টাপাল্টি খুন আর গোলাগুলিতে সরগরম ছিল রাজধানীর অপরাধজগৎ। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও আলোচনায় এল ঢাকার অপরাধজগৎ এবং পেশাদার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য।

সূত্রগুলো বলছে, গত ২১ মাসে রাজধানীতে এমন অন্তত ছোট বড় ২৩টিও বেশি ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর কোনোটিতে সরাসরি আবার কোনোটির নেপথ্যে ছিল পেশাদার সন্ত্রাসীরা। আলোচিত ঘটনার মধ্যে ৭/৮টি রয়েছে খুনের ঘটনা। এর মধ্যে ৬টিতেই পেশাদার সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রতিপক্ষ দলের কেউ নিহত হন। বাকি একটিতে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। খুনের ঘটনা গুলোর বাইরে বাকি গুলো ছিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে গুলি, বোমা বিস্ফোরণ, কুপিয়ে জখম, মহড়া ও হুমকি। অপরাধীদের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে পোশাক কারখানার ঝুট, বাসাবাড়ির ময়লা, ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসা, যানবাহনের চাঁদা, কোরবানি পশুর হাট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজ ও এলাকা ভিত্তিক চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে বিভিন্ন নির্মাণ কাজ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়, টাকার ভাগবাটোয়ারা এবং
দ্বন্দ্বের জায়গা থেকে এসব ঘটনা ঘটে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ নগরীর হাতিরঝিল এলাকার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. রাজনকে
কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। মগবাজারের ওয়্যারলেস রেলগেটের পাশের রেললাইনের জমিতে গড়ে তোলা একটি ক্লাবের ভেতরে তাঁকে কোপানো হয় এবং মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। পরে মৃত ভেবে তাঁকে ফেলে রাখা হয়। গত বছর ২০২৫ সালের ২০ মার্চ রাজধানীর গুলশানে ইন্টারনেট ব্যবসায়ী সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর একই বছরের ২৫ মে বাড্ডার গুদারাঘাটে বিএনপি নেতা কামরুল আহসান সাধনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। রাজধানীর বাড্ডা ও গুলশান এলাকার আলোচিত দু’টি হত্যার ঘটনা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুসন্ধানেও এমন তথ্য উঠে এসেছে। পূর্বশত্রুতার জেরে যে খুন গুলো হয়েছে, সেখানেও বিরোধের নেপথ্যে ছিল অবৈধ অর্থ উপার্জনের নানা উপায়ের নিয়ন্ত্রণ।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রগুলো বলছে, আর্থিক সংকটে থাকা বেকার তরুণদের একটি অংশকে বিদেশে থাকা দাগি অপরাধী ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করছে। যাদের নিয়মিত আয়ের উৎস নেই, জীবন নিয়ে হতাশা আছে, তাদের টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক গুলির ঘটনাগুলোয় জড়িত অনেক শুটার এ ধরনের পটভূমি থেকে এসেছে। পুলিশ, গোয়েন্দা সূত্রসহ বিভিন্ন তথ্য সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি রাজধানীতে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন খুনসহ অপরাধ জগৎ কেন্দ্রিক এই ২৩ ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে নগরীর ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, রায়েরবাজার, মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর, উত্তরা, পল্লবী, কাফরুল, গুলশান, বাড্ডা, মগবাজার, হাতিরঝিল ও মতিঝিল অঞ্চল ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড’ হিসেবে পরিচিত ঢাকার অপরাধ জগতের মানচিত্রে এই এলাকাগুলো এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। শীর্ষ সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পরিচয়ধারী স্থানীয় গোষ্ঠীর মধ্যে অপরাধ জগতের ক্ষমতার পালাবদল চলছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর ভঙ্গুর অবস্থার কারণে মূলত পেশাদার সন্ত্রাসীরা নানাভাবে সক্রিয় হতে শুরু করে। মোহাম্মদপুর এলাকার ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, হাজারীবাগের সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন, খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, মিরপুরের আব্বাস আলী (পুলিশের ভাষ্যে‘কিলার আব্বাস’ হিসেবে পরিচিত), তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলামসহ অন্তত সাত আলোচিত সন্ত্রাসী জামিনে মুক্ত হন। তাঁদের মধ্যে অন্তত তিনজন জামিনে বের হয়েই বিদেশে চলে যান। কয়েকজন আগে বিদেশে ছিলেন, সেখানে বসে দেশে অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হঠাৎ সক্রিয় হন সুব্রত বাইনও।
বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০১ সালে ২৩ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় থাকা ইমন, টিটন ও পিচ্চি হেলালের মতো সন্ত্রাসীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি থাকার কথা। তবে এই সন্ত্রাসীদের কে এখন কোথায় আছেন, মামলাগুলোয় জামিনের বাস্তবতা, আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন কি না—এসব বিষয়ে কার্যকর নজরদারি করা হয়নি। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে সন্ত্রাসী দলগুলো। এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগীদের তালিকা হচ্ছে। শিগগির তাদের বিরুদ্ধে কম্বিং অপারেশন হবে।

তথ্য অনুসন্ধান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা জানান, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চাঁদাবাজির জন্য বিদেশি নম্বর থেকে ফোন দেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠানে গুলি, মালিকের ওপর হামলা এবং কোথাও কোথাও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. মোল্লা মাসুদের সম্পৃক্ততার কথা জানতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে ২৭ মে এই দুই দুর্ধর্ষ পেশাদার সন্ত্রাসীকে সেনাবাহিনী কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে। অপরাধীরা যাতে কোনোভাবেই রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পায়, সে বিষয়ে দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়ের বাজারের জোড়া খুনের ঘটনার মাধ্যমে মূলত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের খুনোখুনির ঘটনা শুরু হয়। ওই ঘটনায় আসামি ছিলেন ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলাল। এই মামলার আরেক আসামি ছিলেন রায়েরবাজারে কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপ’-এর প্রধান ইমন হোসেন। এ বছরের ১২ এপ্রিল তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে। আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর প্রায় দুই বছর দুই মাস আগে ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার তেজগাঁওয়ের সড়কে যানজটে আটকে থাকা অবস্থায় গুলি করে তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। ২৪ বছর কারাভোগের পর তখন কেবল তিনি বের হয়েছিলেন। সেদিন মামুন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে ভুবন চন্দ্র শীল নামের একজন মোটরসাইকেল আরোহী সেদিন নিহত হন। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়ের বাজারের জোড়া খুনের ঘটনার মাধ্যমে মূলত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের খুনোখুনির ঘটনা শুরু হয়। পেশাদার সন্ত্রাসীদের অনেককেই ব্যবসায়ীরা নীরবে চাঁদা দিচ্ছেন। সরাসরি অভিযোগ করলে হামলার ভয়, মামলা করলেও নিরাপত্তাহীনতা—এসব কারণে ভুক্তভোগীদের অনেক প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না। ফলে প্রকৃত সব ঘটনা পুলিশের রেকর্ডেও আসছে না। এ কারণে ৬/৭টি খুনসহ ২৩টি ঘটনা দিয়ে সন্ত্রাসীদের প্রবণতা বোঝা গেলেও তাঁদের তৎপরতা অনেক বেশি বিস্তৃত। গত ২১ মাসে পেশাদার অপরাধীদের দ্বন্দ্বে খুনের ৭টি ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, হত্যার বদলে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর নিজেরও অপরাধী নেটওয়ার্ক, রাজনৈতিক পরিচয় বা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল।

সমাজের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা যাচ্ছে—শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ‘নেটওয়ার্ক’ আবার আগের মতো ফিরে এসেছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন নামে অপরাধীরা সক্রিয় হচ্ছে পেশাদার সন্ত্রাসীদের ছত্রচ্ছায়ায়। বেশি গ্রুপ দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্য মহড়া, প্রতিষ্ঠান দখলে গুলি ও হামলাসহ একের পর এক ঘটনা ঘটাতে থাকে।
ঢাকার অপরাধজগৎ এখন পুরোনো সন্ত্রাসী রাজনীতি ও নতুন নগর-অর্থনীতির মিশ্র রূপ নিয়েছে। জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, আত্মগোপনে থাকা নির্দেশদাতা, স্থানীয় গ্যাং, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া ও চাঁদাবাজির বাজার—এই পাঁচ স্তর ভাঙতে না পারলে রাজধানীতে খুন, গুলি ও আতঙ্কের এই চক্র থামানো কঠিন হবে। এই বিশ্লেষকের মতে, শীর্ষ পর্যায়ের অপরাধীদের অপরাধ করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের প্রয়োজন হয়। তখন সমাজে অপরাধ প্রবণতা ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যও বেড়ে যায়। তাই অপরাধীরা যাতে কোনোভাবেই রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পায়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেশির ভাগই এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছে। দেশের বাইরে থেকেই তারা ঢাকার অপরাধজগতের কল কাঠি নাড়ছে। কেউ কেউ দেশে থাকতে পারে। এলাকা ভিত্তিক এসব সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগীদের তালিকা করা হচ্ছে। খুব শিগগির তাদের বিরুদ্ধে কম্বিং অপারেশন শুরু করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By ThemesDealer.Com