ডেক্স নিউজ
সরোজমিনে গুরে যানা যায় ভাঙ্গা থানার পুখুরিয়া গ্রামের মৃত রউফ মিয়ার বাবার পত্তিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তার ছেলেমেয়েরা রউফ মিয়াও রাজ্জাক মেম্বার একই বাপের সন্তান পিতা ওফাজ উদ্দিন মারা যাওয়ার পর দীর্ঘদিন যাবত সম্পত্তি একাই ভোগ করে আসছিলেন রাজ্জাক মেম্বার কোন ভাগ-বাটোয়ারা করা হয় নাই মুখে মুখে ভাগ বাটোয়ারা মতন করে তারা জমিগুলো চাষবাস করতেন ও বসতবাড়িতে বসবাস করতেন বর্তমানে তারা দুজনই মারা যান কিন্তু এই সম্পত্তি আর ভাগ বাটোরা করা হয়নি বহুদিন যাবত প্রায় ৪০ বছরের মতন রাজ্জাক মেম্বার তিনি একাই নিজে ভোগ করেছেন পুরো অংশটাই বর্তমান যুগে এসে তাদের ঘরের ছেলে সন্তানের সংখ্যা বেড়ে যায় এক পর্যায়ে দেশের উন্নতি ও সকল স্থানের ডেভলপ হওয়াতে জায়গা জমির দামও বেড়ে যায় তাই পরিশেষে এসে এখন ভাগ বাটোয়ারা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় রাজ্জাক মেম্বারের সন্তানরা অর্ধেক পাবে বাকি অর্ধেক রউফ মিয়ার সন্তানরা পাবে কিন্তু এই বর্তমান আধুনিক যুগে এসেও রউফ মিয়ার সন্তানরা সুবিধাবঞ্চিত হচ্ছেন পূর্বের ধারাবাহিকতায় এতে দুই জনের মধ্যে দন্দ ঘটে এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি ও বিভিন্ন আলাপ-আলোচনা দেন দরবার ও মহল্লার সালিশি বারবার করা সত্ত্বেও ভাগাভাগিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় রাজ্জাক মেম্বার বড় ভাই তিনি ৩৮ বছর মেম্বার ছিলেন তাই কখনো ছোট ভাইয়ের সন্তানরা এই সম্পদের ধারে কাছে তারা আসতে পারত না তাদেরকে ৬-৯ দিয়ে সবসময় বুঝিয়ে পুরো সম্পদটা তিনি একাই ভোগ করতেন এভাবে তিনি প্রায় ৩৫-৪০ বছর খেয়েছেন এখন সুবিধা বঞ্চিত ছোট ভাইয়ের ছেলেরা সুশিক্ষিত তাদের সন্তান বড় হয়েছে বুঝতে শিখেছে তাই তারা তার বাবার সম্পদ পুরোপুরি সমানভাবে ভাগাভাগি করে নিতে চান কিন্তু এখানে ঘটেছে বিঘ্ন কেননা রাজ্জাক মেম্বার ছিলেন গ্রামের মেম্বার তিনি একজন গোয়ার প্রকৃতির লোক ছিলেন ৭১ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন প্রকৃতভাবে তিনি একজন রাজাকার গ্রামে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তিনি হানাদার বাহিনীদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন যার দাপটে তিনি গ্রামের প্রতিটি মানুষকে জুলুম ও নির্যাতন করতেন তার মেম বাড়ির জীবন ছিল ৩৮ বছরেরও বেশি গ্রামের প্রতিটি মানুষ তার কাছে জিম্মি এবং প্রতিটি মানুষ তার উপরে কেউ কথা বলতে পারতো না এবার বিস্তারিত রাজ্জাক মেম্বারের একটি দুইটি নয় তার তিনটি পরিবার তিনটি পরিবারের নয়জন সন্তানের সংসার প্রথম স্ত্রী তিনটি মেয়ে ডিটিএইচ স্ত্রীর ঘরে একটি বড় ছেলে তাকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছিলেন তিনি বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উর্ধতম কর্মকর্তা এবং একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি বাবার মতনই তার চরিত্র এবং স্বভাব বর্তমান এই ডিজিটাল যুগে এসে বেশি শক্তি খাটিয়ে যেভাবে মানুষকে হয়রানি করে তিনি করেছেন তার ব্যতিক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি করার সুবাদে স্থানীয় লোকজন ও বিভিন্ন বড় বড় লোকদের সাথে তার হাতো আতর থাকার কারণে তার চাচাতো ভাইদেরকে তিনি সবসময় নির্যাতন ও বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে আসতেন এবং ভাগাভাগির কথা বললে তিনি বলতেন যেভাবে বাবা ভাগ করে দিয়ে গেছে এভাবেই চলবে কিন্তু আসলে সম্পদ কেউ কোনদিন কমবেশি নিতে চায় না সবাই চায় সমান অধিকার বহুদিন পর এর অবসান ঘটতে গিয়ে খালি সি বিচারের মাধ্যমে কোন সমাধান না খুজে পেয়ে ভেন্ডার বা আমিন সরকারি আমিন রাজ্জাক মেম্বারের পুত্র গোলজারের নবী ফারুক তিনি ঢাকায় বসবাস করেন তিনি গ্রামে থাকেন না তার আর ভাই-বোনেরা সবাই গ্রামের বাড়িতেই থাকেন এক পর্যায়ে সবাই সিদ্ধান্ত নেন মাপামাপির মাধ্যমে জমিন ভাগ করা হবে সবকিছুই ঠিকঠাক সবাই মেনে নিয়েছে বাঘা বাঘী হলে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু সেখানেই ঘটেছে ব্যাপক দুর্নীতি তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি করার কারণে সরকারি চাকরি করেন বিধায় ভেন্ডার ও আমিন দেরকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে যোগ সাজ করে ভুল মাপঝোক বুঝিয়ে হীমানা প্রাচীর করে পুরো সম্পত্তির বেশির ভাগই তুমি হাতিয়ে নিয়েছেন আশেপাশের লোকজন থেকে বিষয়টি আমি পুরোপুরিভাবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিকট থেকে সম্পূর্ণ বিষয়টি অবগত হইলাম সেখানে যেভাবে মাপার কথা হবে যেভাবে পাওয়ার কথা তার কোন কিছুই হয়নি ছয় নয় বুঝ দিয়ে সীমানা প্রাচীর করা হয় এতে ছোট ভাইয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েরা এটা মেনে নেয়নি এবং তাদেরকে উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে মামলা-মামলা বিভিন্ন ধরনের ভাই-ভীতি দেখায় এখন সে বড় চাকরি করে বিধায় ছোট ভাইয়ের ছেলেরা তারা অশিক্ষিত তেমন একটা শিক্ষিত নয় তারা সাধারণ লেখাপড়া করেছে গ্রামের বাড়িতে চাষা ভাসা লোক এবং খেটে খাওয়া লোক তিনি প্রথমে আমাদের এই তথ্যটি আমাদের কাছে মুঠোফোনে জানান পরে সেখানে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাই তাই আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ও স্থানীয় সরকারের কাছে প্রার্থনা করছি ছোট ভাইয়ের ছেলে সন্তানরা গরিব ও আবার টনের মধ্যে তারা দিন যাপন করেন তাদের এই সম্পত্তি সমান ভাগে বন্টন কোরিয়া গোলজারের নবী ফারুককে বিশেষভাবে আইনের ব্যবস্থার মধ্যে এনে এই সম্পত্তি উদ্ধার করে রউফ মিয়ার ছেলে সন্তানদেরকে বুঝায় দেওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন সরকারি চাকরির বিধায় নিজেকে আম্লাবাদি প্রতিষ্ঠিত করিয়া পরের সম্পত্তি লুণ্ঠন করিবে ইহা রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বিষয়টি উপরোক্তমহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ভাংগা থানার ডিসি ও ভূমি অফিসের শরণাপন্ন হচ্ছি আমরা এই বিষয়টির একটা সুরাহা চাই আজ এই পর্যন্তই ধারাবাহিকভাবে এই নিউজটি পরিবেশিত হবে আমাদের জনতার ক্রাইম পক্ষ থেকে।
পর্ব ১