ভিকটিম রিপন চৌধুরী (৪২) ও আসামী মোঃ নুর হোসাইন সোহাগ (৩৭) দ্বয় দুবাইয়ে একই বাসায় থাকতেন ও তাদের গ্রামের বাড়ি পাশাপাশি এলাকায় ছিল। তাদের কাজের ফাঁকে তারা দুইজন বাংলাদেশের ছুটিতে আসার সিদ্ধান্ত হয়। রিপন চৌধুরী তার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং প্রিয়জনদের জন্যও উপহার, স্বর্ণালংকার, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেন। রিপন চৌধুরীর ল্যাগেজে জায়গা কম হওয়ায় তার কিছু মূল্যবান মালামাল আসামী মোঃ নুর হোসাইন সোহাগ এর ল্যাগেজে দেওয়া হয়। ১১-০৬-২০২৬খ্রি: তারিখ সকালে তারা দুইজন একই ফ্লাইটে দুবাই হতে বাংলাদেশ আসেন এবং বিমানবন্দরে এসে তারা দুই জন আলাদা ০২টি সিএনজি যোগে রওনা হয়ে ভিকটিম রিপন চৌধুরীর বর্তমান ঠিকানা- বাসা নং-৬২, রোড নং-১০, সেক্টর-১০, থানা-উত্তরা পশ্চিম, ঢাকা যাওয়ার পথে ০২টি সিএনজি হাউজ বিল্ডিং টাওয়ারের সামনে আসলে সিএনজি ০২টি দাড় করিয়ে ভিকটিম রিপন চৌধুরী আসামী মোঃ নুর হোসাইন সোহাগ কে অপেক্ষা করতে বলে বাসার জন্য আরও কিছু মালামাল কেনার জন্য দোকানে যায় কিন্তু কিছুক্ষন পর এসে ভাড়া করা সিএনজি পাওয়া যায়নি। তিনি অনেক খোঁজাখুজি করে ও মোবাইলে যোগাযোগ করে মোঃ নুর হোসাইন সোহাগকে পাওয়া যায়নি তখন তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি খুব কাছের লোক দ্বারা প্রতারিত হয়েছে এবং তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে রিপন চৌধুরী (৪২) উত্তরা পশ্চিম থানায় গিয়ে পুলিশের সাহায্য চান এবং তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পশ্চিম থানার মামলা নং-১৫ তারিখ-১৩/০৬/২০২৬খ্রিঃ ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোড রুজু হয়। গতকাল উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষীপুর জেলার লক্ষীপুর সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এজাহার নামীয় আসামী মোঃ নুর হোসাইন সোহাগ (৩৭) গ্রেফতার করেন। তার হেফাজত হতে বাদীর প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ১০টি স্বর্ণের আংটি, ০১টি স্বর্ণের চেইন, ০২টি স্বর্ণের গলার হার যার সর্বমোট ওজন ০৯ ভরি, মূল্য অনুমান ২১,৬০,০০০/- টাকা, ০১টি স্যামস্যাং এস-২৬ আলট্রা যার মূল্য অনুমান ১,৪০,০০০/- টাকা, ০১টি সনি এক্সফেরিয়া মূল্য অনুমান ২৫, ০০০/- টাকা, ০১টি (পুরাতন) এইচপি ল্যাপট্যাপ যার মূল্য অনুমান ৩৫,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তরা বিভাগ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা মহোদয়ের নির্দেশনায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সদা তৎপর রয়েছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।