রাজধানীতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় জান্নাত আক্তার (১৮) নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে গাড়িসহ প্রাইভেট কারের চালককে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত জান্নাত সম্প্রতি ঢাকার একটি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। বাবার নাম মো. বাহার উদ্দিন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলো সাদিয়া আক্তার (৮) ও মো. শামীম।
আহত সাদিয়ার বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের দিন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় আমার শ্বশুরের বাসায় দাওয়াত ছিল। সেখানে খাওয়াদাওয়া শেষে রাত ২টার দিকে আমার এবং ভায়রা ভাই শামীমের মোটরসাইকেলে করে সবাই ভাষানটেক এলাকার বাসায় ফিরছিলাম। দুই মোটরসাইকেলের একটিতে আমার স্ত্রী, দুই ছেলে ও আমি ছিলাম।
অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়
সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম খবররাজধানীতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় জান্নাত আক্তার (১৮) নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে গাড়িসহ প্রাইভেট কারের চালককে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত জান্নাত সম্প্রতি ঢাকার একটি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। বাবার নাম মো. বাহার উদ্দিন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলো সাদিয়া আক্তার (৮) ও মো. শামীম।
আহত সাদিয়ার বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের দিন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় আমার শ্বশুরের বাসায় দাওয়াত ছিল। সেখানে খাওয়াদাওয়া শেষে রাত ২টার দিকে আমার এবং ভায়রা ভাই শামীমের মোটরসাইকেলে করে সবাই ভাষানটেক এলাকার বাসায় ফিরছিলাম। দুই মোটরসাইকেলের একটিতে আমার স্ত্রী, দুই ছেলে ও আমি ছিলাম।
অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা অন্যটিতে ভায়রা শামীম, আমার মেয়ে সাদিয়া ও শ্যালিকা জান্নাত ছিল।’
কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সামনে আসার পরেই পেছন থেকে দ্রুতগতিতে এসে একটি প্রাইভেট কার ভায়রা ভাইয়ের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে সবাই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। পরে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর চিকিৎসক জান্নাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়
সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম খবর