মোক্তার আহমেদ :
দেশের সর্বস্তরের জনগণকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ” বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে “পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির বিপ্লবী মহাসচিব মো: মোক্তার আহমেদ।
নববর্ষ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় মোক্তার আহমেদ বলেন, বাংলা নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে নিয়ে আসুক অনাবিল, শান্তি ও সমৃদ্ধি। পহেলা বৈশাখ বাঙালীর জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশা, উদ্যম ও ঐক্যের বার্তা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এই দিনটি আনন্দ ও উৎসবের মধ্যে দিয়ে উদযাপন করে। এটি কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানো নয় বরং বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ঐতিহ্যের ধারক।
পহেলা বৈশাখ বাঙালির জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক মহান মিলনমেলা। এটি অতীতের গ্লানি ভুলে নতুন উদ্দীপনায় এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়।
বাংলা নববর্ষ বাঙালীর জাতীয় জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। গতানুগতিক জীবনধারার মধ্যে নববর্ষ নিয়ে আসে নতুন সুর, নতুন উদ্দীপনা। পুরানো দিনের গ্লানি জরাকে মুছে দিয়ে, একরাশ হাসি, আনন্দ আর গান দিয়ে ভুলিয়ে দিয়ে যায় নববর্ষ। প্রাচীনকাল থেকেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি বাঙালীর প্রানের উৎসব হল নববর্ষ। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এই নববর্ষ দিবসটি পালন করা হয়। পৃথিবীর সব দেশের মানুষ নিজের মতো করে নববর্ষের উৎসব পালন করে থাকে, বাঙালি, সমাজ এ দিনটি পালন করে পহেলা বৈশাখ হিসাবে, সেদিন প্রভাত থেকে বাঙালির মন গেয়ে ওঠে “নব কিরণে জাগো আজি নব রবি কিরণে”.
পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান অসাম্প্রদায়িক উৎসব, যা বাংলা সনের প্রথম দিন হিসেবে উদযাপিত হয়। মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে শুরু হওয়া এই ঐতিহ্য বর্তমানে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ এবং ঢাকার রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাঙালি জাতির ঐক্য ও আনন্দের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়।