বিষয়: “বিসমিল্লাহ পাইকারী কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ কর্তৃক পরিচালিত বাজারটি জোরপূর্বক দখল ও দখলমুক্ত এবং চাঁদাবাজির হাত থেকে রক্ষাকরণ বাজারের ব্যবসায়ী সদস্যদের জান- মালের নিরাপত্তা প্রয়োজন।
বিষয়টি নিয়ে,উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা নং-৩০/৪৩২
তারিখ:- ১৩/০৭/২০২৫ইং। জিডি নং-
১৭৫৪, তাং ১৮/০৭/২০২৫ইং।
(বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজারের প্রতিষ্ঠা মালিক মোঃ আনোয়ার হোসেন এর স্ত্রী লিখিত আবেদনটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, গুণীজন সহ বিভিন্ন দফতরে জমা দিয়েছে ও সংবাদপত্র,গণমাধ্যম,টেলিভিশন, সাংবাদিক সংগঠন, সাংবাদিকদের অবগতির জন্য।
এই যে, ফাতেমা হক (আমার ও আমার পরিবারের) জীবনের সবটুকু উপার্জনের অর্থ দিয়ে”বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজার- সুইচ গেইট-১০ নং সেক্টর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন, ব্যক্তি মালিকানা জমি মোটা অংকের টাকা জামানত প্রদান করত: নিয়মিত মাসিক ভাড়া প্রদানের মাধ্যমে বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজার-নামক একটি ফলের মার্কেট নির্মাণ করে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে আসছি। যা আমাদের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম বটে। এই উপার্জনের মাধ্যমে আমাদের পরিবার পরিজন সহ মার্কেট ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের জীবন জীবিকা নির্বাহ হয়ে থাকে। জীবনের সবটুকু উপার্জন বিনিযোগ করা, আজ প্রায় ১ বছর ৯ মাস ধরে উত্তরার একদল শীর্ষ সন্ত্রাসী খ্যাত একাধিক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মামলার আসামী মিলন গংদের নিজ দখলে নিয়ে ভাড়া উত্তোলন পূর্বক তারা ভোগ দখল করে আসছে এবং বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজার মার্কেটটি লিখে নেওয়ার চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। অন্যথায় তারা আমাদেরকে ও আমাদের পরিবার কে জীবনে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। আমার পরিবার গত ১ বছর ৯ মাস যাবৎ জুলুম, নির্যাতন, অত্যাচার, হয়রানি, আর মেরে ফেলার হুমকির স্বীকার হয়ে আসছে।
গত ৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং তারিখ এর পর থেকে” বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজারে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়, গত ১৩ই জুলাই ২০২৫ইং তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি চলমান ছিলো। হাতে গনা কয়েকদিনের জন্য চাঁদাবাজি স্থগিত থাকলেও বর্তমানে একই শীর্ষ সন্ত্রাসীর আন্ডারে ভিন্ন ভিন্ন রূপে ও ভিন্ন ভিন্ন লোকের মাধ্যমে চলমান এবং এই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে মিলে জমির তৃতীয় মালিক জাহাঙ্গীর আলম সে সরাসরি
বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজার থেকে ভাড়া উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অথচ এই জমি বাবদ জাহাঙ্গীর আলম গংদের কাছে প্রায় ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা জামানত হিসেবে জমা দেয়া আছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মিলনের সাথে মিশে জাহাঙ্গীর আলম চাঁদাবাজি করছে। সূত্রে বর্ণিত মামলার আসামীগণ, তাদের হুমকি ধামকি দেখে মনে হয় তাদের সঙ্গে স্থানীয়, দেশী ও বিদেশী বড় কোন সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে যোগযোগ রয়েছে। যে কারনে আমরা ও আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে প্রাণ ভয়ে তারিত হচ্ছি। বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজার মার্কেটটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা দখল করায়, দীর্ঘদিন যাবত মার্কেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবার পরিজন অনাহারে, অদ্যাহারে দিনাতিপাত করে আসছি। মার্কেটটি দখলমুক্ত উদ্ধারে বিভিন্ন মহলের সরনাপন্ন হলেও নিষ্ফল প্রচেষ্টাঅন্তে উত্তরায় অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের আশ্রয় গ্রহণ করি। সেনা ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে গত ১৩/০৭/২০২৫ইং তারিখে সরাসরি মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে, বর্ণিত সূত্রের মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতার করে উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করেন এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় সূত্রমতে একটি মামলা আনায়ন করা হলেও অনেকই রয়ে যায় পর্দার আড়ালে। এ যাবৎকাল তারা একাধিক বার গ্রেফতার হলেও, সর্বশেষ আমার মামলায় হাজতবাস করে। পরবর্তীতে তাদের পরিবার আমার সাথে যোগাযোগ করে, তারা কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা করবে না বলে বিজ্ঞ আদালতে হলফ নামা প্রদান করলে, আমি (বাদি) নিজ জিম্মায় বিজ্ঞ আদালত হতে জামিনে সম্মতি প্রদান করি। উল্লেখ্য থাকে যে, ৫ ই আগস্টের পরে তাদের গ্রুপের অনেকেই বেশ কিছু জায়গা জমি জবর দখলের অভিযোগের কারণে উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের আহবায়ক মোঃ মিলন কে দল থেকে বহিস্কার হয়, যা পত্র পত্রিকার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। মামলা পরবর্তী সময়ে ধৃত সন্ত্রাসীগণ ও তাদের বাইরে থাকা দোসরগণ (১) হাজী মোঃ জাহাঙ্গী আলম, পিতা-মৃত হাজী আব্দুল মনছুর আলী, ঠিকানাঃ সাং-হাজী বাড়ী ১০ নং সেক্টর, আশুলিয়া রোড, রানাভোলা, উত্তরা পশ্চিম, জেলাঃ ঢাকা-১২৩০।
(২) আব্দুল রশীদ সরদার, পিতাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান সরদার, মাতাঃ নুরজাহান বেগম, জন্ম তারিখ-০৩/০৭/১৯৮২, স্থায়ী ঠিকানাঃ পুর্বচর, কৃষ্ণপুর, ডাকঘরঃ আলগী, থানাঃ হাইমচর, জেলাঃ চাঁদপুর, বর্তমান ঠিকানাঃ আব্দুল্লাপুর সুইচ গেইট, বিমিল্লাহ পাইকারী কাঁচাবাজার ফলের আড়ৎ, (৩) শাহিন আহম্মেদ অন্তর, পিতাঃ সাবেদ আলী, মাতাঃ শান্তি খাতুন, ঠিকানাঃ গ্রাম/রাস্তাঃ চারুলিয়া-৭০০০, মিরপুর, কুষ্টিয়া, জন্ম তারিখ-১০/০৩/১৯৯১, (৪) হাসান, (৫) বকুল হাওলাদার, পিতাঃ হেলাল হাওলাদার, ঠিকানাঃ চিলমারী, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া, অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১২ জন আমাকে বিভিন্ন ভাবে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য এখন পর্যন্ত প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি প্রদান অব্যাহত রেখেছে এবং তাদের হুমকির ধরন দেখে মনে হয়, তারা যেকোন সময় আমার ও আমার পরিবারসহ, আড়তের কিছু সংখ্যক প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। গত ২০ই জুলাই ২০২৫ইং তারিকে বিসমিল্লাহ পাইকারি কাঁচা বাজারে ডুকে পুনরায় হুমকি ধামকি দেয়, মারধর করে, বর্তমানে উল্লেখিত গ্রুপের লোকজনের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, হুমকি-ধামকি আরো ব্যাপক আকারে চলমান রয়েছে।
বিনীত আবেদন নিবেদক….
ফাতেমা হক (ফেরদৌসী)
সভাপতি- বিসমিল্লাহ ট্রাষ্ট পাইকারী কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ।